বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সিলেট

ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীর বালু-পাথর লুটপাঠ প্রশাসন নীরব

দীর্ঘদিন ধরেই সুনামগঞ্জ জেলার সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান নদীর বালু-পাথর অবৈধ ভাবে উত্তোলন করে চলেছে একটি বিশাল সিন্ডিকেট । সীমান্ত এলাকার এই নদীর বালু-পাথর উত্তোলন করে নৌ পথে ও সড়ক পথে পরিবহন করলেও প্রশাসন নীরব রয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই দিনের বেলা বড় বড় ষ্টীল বডি নৌকা সুরমা নদীর সদরগড় পুলিশ চেক পোষ্টের সামনে দিয়ে ধোপাজান নদীর ভেতর প্রবেশ করে। রাতে বালু-পাথর বোঝাই করে সুযোগ বুঝে গভীর রাত কিংবা ভোর রাতে বের করে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  স্থানীয়দের আরও অভিযোগ প্রশাসনের সাথে যোগ সাজশ করেই এসব কর্মকান্ড চালায় একটি বিশাল সিন্ডিকেট।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ায় প্রকাশ হলে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হয়।  এছাড়াও বিশ্বম্ভরপুর সুনামগঞ্জ সড়কের চালবন পয়েন্ট হয়ে রাতের আঁধারে বিশাল বিশাল ট্রাকে ও বিভিন্ন জায়গাতে বালু-পাথর পরিবহন করা হয়। গতরাতে বেশ কিছু বড় বড় ষ্টীল বডি নৌকা ধোপাজান নদীর ভেতর প্রবেশ করার খবর পেলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশাসন কে জানালে ও কোন কাজ হয়নি। সারাদিন পেরিয়ে ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা ইউএনও সখিনা বেগম একটি অভিযান পরিচালনা করেন।  ধোপাজান নদীর পশ্চিম পাড়ের জিনারপুর বাজারের পাশে বেশ কয়েকটি বালু-পাথর স্তুপ করা পেয়ে এগুলো জব্দ করেন।  পরে স্হানীয় ফারুক মেম্বারের জিম্মায় দিয়ে আসেন।  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ইউএনও জানান আমি ধোপাজান নদীর ভেতর গিয়ে বালু-পাথর  ভর্তি কোন নৌকা পাইনি। হয়তো চলে গেছে। তিনি আরও জানান এগুলো বন্ধে সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে। এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) আদিত্য পাল জানান বালু-পাথর লুটপাটের  অভিযোগ  পেয়ে আমি এখন (রাত সাড়ে আটটা) ধোপাজান নদীর ভেতর প্রবেশ করেছি অভিযান পরিচালনার জন্য। এলাকাবাসীর দাবী সরকার শীগ্রই যেন ধোপাজান নদীর ইজারা প্রদান করে হাজার হাজার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেন।

ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীর বালু-পাথর লুটপাঠ প্রশাসন নীরব