কাজী মহিউদ্দিন মঈনঃ-লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় বিধবা স্ত্রী ও ২(দুই) এতিম সন্তানের সম্পত্তি ও জীবনের নিরাপত্তার অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার ৬নং লামচর ইউনিয়নের কাশিম নগর ডোনের বাড়ির মৃত খোরশেদ আলমের রেখে যাওয়া ক্রয় কৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ এর সূত্রে তাঁর বড় ভাই মোবারক হোসেন,ফারুক হোসেন, ভাতিজা আব্দুল্লাহ শামিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তাঁর বিধবা স্ত্রী মরিয়ম বেগম।
স্ত্রী মরিয়ম আক্তার জানান, গত ৫ ডিসেম্বর আমার স্বামী খোরশেদ আলম স্ট্রোকজনিত কারনে সৌদি আরবে মৃত্যু বরণ করেন।
এর পর থেকে আমার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। আমার এতিম এক ছেলে আবু ত্বোহা আদনান (১৮মাস) এক মেয়ে সুমাইয়া আক্তার হাফসা (৬বছর) এদের নিয়ে স্বামীর বাড়িতে আমার বাসুর মোবারক হোসেনের বিল্ডিংয়ে একটি রুমে থাকতাম। কিন্তু কিছু দিন অতিবাহিত হলে তাঁরা আমার উপর মানসিক অত্যাচার নির্যাতন চালায়। এক পর্যায় আমার নিরাপত্তার জন্য আমি বাবার বাড়িতে অবস্থান করি। তিনি বলেন, আমার স্বামীর যৌথ সম্পত্তি ছাড়া মৃত্যুর আগে ঢাকায় শনির আকড়া ঝমঝম টাওয়ারে একটি প্লট এবং কাঁচপুর ব্রীজের পাশে ২.৫ কাটা সম্পত্তি এবং ঢাকা সোনারগাঁও ৪ কাটা, মদিনা টাওয়ার শনির আকড়া ১০লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন। উক্ত সম্পত্তি আমার বাসুর মোবারক হোসেন, ফারুক হোসেন, ভাতিজা আব্দুল্লাহ শামিম সহ আত্মসাৎ এর চেষ্টা করে আমাকে হুমকি দেয়। আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছি।
এই বিষয় অভিযুক্ত ফারুকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কার্যালয়ে অভিযোগ করেছি। আমি এখন কিছু বলতে চাই না। ৬নং লামচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের জানান এই বিষয় ফারুক চেয়ারম্যান কাছে অভিযোগ করেছে আমি জানি বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । ৬নং লামচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল্লাহ জিসান পাটোয়ারী মুঠো ফোনে জানান, সম্পত্তি আত্মসাৎ এ বিষয় আমি জানিনা। তবে মরিয়ম আক্তার সহ আমার কার্যালয়ে তাকে ঘর করে দিবে বলে একটা সিদ্ধান্ত হয়।
মরিয়ম আক্তার বলেন আমি এতিমের সম্পত্তি রক্ষা ও আমার ছেল মেয়ের অধিকার আদায় এবং নিরাপত্তা চাই। আমার স্বামীর মৃত্যুর পর এখন পর্যন্ত এক ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে আমি খুব কষ্টে বসবাস করে আসছি। আমি প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা।