কজী মহিউদ্দিন মঈনঃ-
লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনের মধ্যে গুরুত্ব পূর্ন আসন হচ্ছে লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনটি। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে আসনটির সচেতন ভোটারদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কে হচ্ছে আগামী দিনের এমপি? ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ব্যানারে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম শুনা গেলেও নির্বাচনী এলাকার দৃশ্যমান কর্মীসভা-পথসভা,আলোচনা সভা করে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবন্ধ করার পাশাপাশি ভোটারদের মন জয় করতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন রামগঞ্জ উপজেলা আ‘লীগের সহ-সভাপতি শামছুল হক মিজান।
১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে আ‘লীগের ডজনখানেক মনোয়ন প্রত্যাশির নাম শুনা গেলেও এখন পর্যন্ত হাতেগুনা দুই/তিনজন ছাড়া তেমন কেউ মাঠে নামতে দেখা যায় না। এদের মধ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও উপজেলা আ‘লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা শামছুল হক মিজান ঈদের কয়েকদিন পূর্বে এলাকাতে অবস্থান নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আগামী নির্বাচনে নৌকার জনজোয়ার সৃষ্টি করতে গ্রামাঞ্জলের অলিতে-গলিতে, হাটে-বাজারে উপস্থিত হয়ে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরছেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত হয়ে দিচ্ছেন দান-অনুদান, করছেন কর্মীদের সাথে এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়।
আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মতে,আগামী নির্বাচনে রেখে গুঞ্জন শুনা যাওয়াদের মধ্যে জনপ্রিতার দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে শামছুল হক মিজান। তিনি ১৯৯৫ সালে রাঘবপুর ওয়ার্ড় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সক্রীয় রাজনীতি জীবন শুরু করে।এর পর থেকে ১৯৯৭ সালে রামগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সমাজকল্যান সম্পাদক,১৯৯৯সালে নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ বিঞ্চান শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, প্রবাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং রামগঞ্জ আ‘লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। প্রবাসে ব্যবসা করার পাশাপাশি আ‘লীগের সহযোগী সংগঠনের দূর্গ তৈরী করে দলের কাছে গ্রহনযোগ্য নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। দেশে-বিদেশে একাধিক ব্যবসা করে নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে বিগত বছরগুলো দলের ত্যাগী,নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অসুস্থ নেতাদের চিকিৎসা প্রদান করেছেন। দেশে-বিদেশের দলীয় ব্যানারে দলের নানা কর্মসুচি পালন করেছে। দক্ষ এবং যোগ্য তিনি উপজেলা আ‘লিগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত সংসদ,উপজেলা,পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনে সক্রীয় ভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। অনেক প্রার্থীকে আর্থিক ভাবে সার্পোটও দিয়েছেন। ফলে তিনি হয়ে উঠেছেন দলের আস্থাভাজন নেতা।
কাজেই সার্বিক উন্নয়নে এ আসনে আমাদের জন্য ওনাকেই প্রয়োজন।দলীয় কয়েকজন নেতা জানান,শামছুল হক মিজান এমপি হলে যোগাযোগ উন্নয়নসহ গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন করবেন।