স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :
দেশে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো স্থানে নৌ-পথে নৌ-যানে ডাকাতি হচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে সরকারের নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপই কার্যকর হচ্ছে না। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীতে এম.ভি কুহেলীয়া, এম.ভি সামারাহ ইসলাম, এম.ভি উরাইয়া সাবের এন্টারপ্রাইজ সহ অসংখ্য নৌ-যানে ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন কোনো ডাকাতকে এখনও ধৃত করতে পারে নি; মালামালও উদ্ধার করতে পারে নি। ডাকাতরা ডাকাতি করে জাহাজের ও শ্রমিকদের সর্বস্ব নিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে আজ ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকাল ৫টায় কর্ণফুলী ব্রিজ সংলগ্ন নদীর পাড়ে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরী, কার্যকরী সভাপতি নুরুল আলম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মহাজন, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য যথাক্রমে- মো. রিদুয়ান সুকানী, মুমিন মিস্ত্রী, নুরুল আলম সুকানী, সবুজ হোসেন রিয়াজ, আকতার হোসেন, মো. সবুজ, মো. সালাউদ্দিন সুকানী, এমরান হোসেন বাবুর্চি, রাসেল, হেলাল, আকতার সুকানী, হান্নান সুকানী, সোহেল সুকানী প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নৌ-পথে বিরাজমান সংকট সমাধান তো হচ্ছেই না, তার উপর মরার উপর খরার ঘা- হয়ে প্রতিনিয়ত ডাকাতির শিকার হচ্ছে নৌ-শ্রমিকরা।
এভাবে চলতে থাকলে নৌ সেক্টর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। সরকারকে ডাকাতি প্রতিরোধে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় শ্রমিকরা নৌ-পথ অচল করে দিয়ে হলেও তাদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করবে।