মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকালে পিরোজপুর শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পাশে নিজের গড়া সাঈদী ফাউন্ডেশনে জানাজা শেষে সেখানকার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার দাফনের বিষয়টি ফেসবুকে জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড পেজে উল্লেখ করেছে।
সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। এরপর রাত ৩টায় হাসপাতাল থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলে চাকা পাংচার এবং গ্লাস ভেঙে যাওয়ার কারণে অ্যাম্বুলেন্স পরিবর্তন করা হয়। তাকে বহন করা অ্যাম্বুলেসটি সকাল ১০টায় তার পিরোজপুর পৌঁছে।
সেখানে আসার আগেই কবর খোঁড়ার কাজ শুরু। জামায়াতের এই নেতাকে একনজর দেখতে সেখানে দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে। এ জন্য দাফন করতে কিছুটা দেরি হয়।
এদিকে সাঈদীর অসিয়ত ছিল তাকে খুলনার বসুপাড়ায় দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে করার। তার মৃত্যুর পরই মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে মরদেহ মাদ্রাসায় আনা এবং অসিয়ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে দাফনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে খুলনা আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও থানায় জিডির মুখে সেখানে নেওয়া হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ২০১০ সালের ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।