বরগুনা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বরগুনায় বেড়েছে জোয়ারের পানির উচ্চতা। বরগুনার পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় আজ শনিবার অন্তত তিন ফুট বেড়েছে বলে জানান স্থানীয় নদীর তীরের বাসিন্দারা।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সকাল থেকেই বরগুনায় গোমট আবহাওয়া বিরাজ করছে। কালো মেঘে ঢেকে গেছে বরগুনার আকাশ। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদীতীরের বাসিন্দারা।
সরেজমিন বরগুনার বড়ইতলা এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, পানিতে তলিয়ে গেছে বেড়িবাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চল। দুপুর ২টা পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানান স্থানীয়রা। এখানে আশ্রয়কেন্দ্রের স্বল্পতা রয়েছে, যা আছে তাতে সবার স্থান সংকুলান হয় না বলে জানান এলাকাবাসী।
বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বিষখালী নদীতীরবর্তী এলাকার সোবাহান মিয়া বলেন, আমাদের এখানে বেড়িবাঁধের অবস্থা একেবারে নাজুক। স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ তলিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। তাই আমরা আতঙ্কে রয়েছি।
এ বিষয়ে বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক মো. মাহতাব হোসেন বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম করেনি।
এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুরে বরগুনা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে। এ সভার মাধ্যমে আমরা ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করব।