April 4, 2025, 1:40 pm
ব্রেকিং নিউজ
আমরা দেশে শান্তি চাই: প্রধান উপদেষ্টা চাঁদ দেখা গেছে,বাংলাদেশে কাল ঈদ ঢাকায় কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে ৫ বছর ক্ষমতায় দেখতে চান সারজিস খুলে দেওয়া হলো ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ১৮ কিলোমিটার টেলিটক গ্রাহকদের সুখবর দিলো সরকার বাংলাদেশ কুরআনের উর্বর ভূমি: ধর্ম উপদেষ্টা ছুটির দিনেও রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দুদকের মামলা: সাবেক মন্ত্রী নাসিমের ছেলের যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ অ্যাপার্টমেন্ট বাংলাদেশকে সামরিক সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা পাসপোর্ট নিয়ে সুখবর দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা পুলিশের ৪৩ কর্মকর্তাকে বদলি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিকদের ন্যূনতম বেতন ৩৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ আ.লীগের পুনর্বাসন পরিকল্পনা কঠোর হাতে দমন করা হবে: নাহিদ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা আজ আ.লীগের নিবন্ধন বাতিল ও রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি এনসিপির

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম Sunday, September 15, 2024
  • 68 দেখা হয়েছে

দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট ৬ দিন বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছে। নতুন ওয়েলপাম্প স্থাপন করে আজ রবিবার দুপুর ১টা ৫৯ মিনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের এই ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও দৈনিক ২০০-২২০ মেগোওয়াট বিদুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রীডে যোগ হচ্ছে। এটি চালু রাখতে দৈনিক ২২০০-২৩০০ মেট্রিকটন কয়লা প্রয়োজন হবে।

এর অগে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে তৃতীয় ইউনিটটি চালু হলেও যা দুই দিন পর ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ওয়েল পাম্প নষ্ট হওয়ার কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১ নম্বর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এ ইউনিটটি ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন হলেও, সেটি থেকে প্রতিদিন ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হচ্ছে। এটি চালু রাখতে ৮০০-৯০০ মেট্রিকটন কয়লা প্রয়োজন হচ্ছে। এতে করে বর্তমানে গড়ে দুটি ইউনিট থেকে ২৮৫ মেগওয়াট বিদুৎ এই কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রীডে যোগ হচ্ছে। যা উত্তরাঞ্চলের লোডশেডিং অনেক আংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রর ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করেন চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। ২০২০ সাল থেকে ২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের চুক্তি মোতাবেক আগামী বছর তাদের মেয়াদ শেষ হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে এই তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি।

তবে, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তিনটি ইউনিটের হলেও বেশিরভাগ সময়ই দুটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বাকি একটি ইউনিট ওভারহোলিংয়ের জন্য বন্ধ থাকে। এরমধ্যে চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যায় ২৭৫ মেগওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন। ১ মাস ৬ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩য় ইউনিটটি চালু হলেও যা দুই দিন পর ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ওয়েল পাম্প নষ্ট হওয়ার কারণে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। সেটি ৬দিন বন্ধ থাকার পর রবিবার দুপুর ১টা ৫৯মিনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ ইউনিটটি ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন হলেও দৈনিক ২০০-২২০ মেগোওয়াট বিদুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রীডে যোগ হচ্ছে।

এদিকে ৬ সেপ্টেম্বর ১ নম্বর ইউনিটটিও সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ করা হয়েছিল। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১ নম্বর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এ ইউনিটটি ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন হলেও, সেটি থেকে প্রতিদিন ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যা থেকে জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হচ্ছে। ফলে রংপুর বিভাগের আট জেলা লোডশেডিং অনেক আংশে কমে আসবে।

অপরদিকে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে। যা থেকে উৎপাদন হতো ৬৫-৭০ মেগাওয়াট। সূত্র মতে, বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কোল ইয়ার্ডে কয়লা মজুত রয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিকটন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে দৈনিক কয়লা সরবরাহ করা হয় প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু রেখে স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন। তবে, তিনটি ইউনিট একই সঙ্গে কখনো চালানো হয়নি।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ১২৫ মেগোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। চায়না থেকে নতুন ওয়েলপাম্প এনে স্থাপন করে রবিবার দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটে ২৭৫ মেগওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। যা থেকে ২০০-২২০ মেগোওয়াট বিদুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে যোগ হচ্ছে। বর্তমানে গড়ে দুটি ইউনিট থেকে ২৮৫ মেগওয়াট বিদুৎ এই কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রীডে যোগ হচ্ছে বলে জানান তিনি। এতে করে উত্তরঞ্চলের লোডশেডিং অনেক আংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...
themesba-lates1749691102