স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :
অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার রাষ্ট্রক্ষমতাকে দখল করার পর থেকে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে নিয়েছে। রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় সম্পদকে নিজেদের ব্যক্তিগত মালিকানা মনে করছে। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে অগণতান্ত্রিক এই সরকার জনগণের প্রতি একেবারেই উদাসীন। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে একটা দায়বদ্ধতাহীন ও জবাবদিহিহীন সরকার জগদ্দল পাথরের ন্যায় জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে। দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এটা নিয়ে সোচ্চার হলে তাদের উপর নেমে আসে অত্যাচার-নির্যাতনের খড়গ। স্বাধীন দেশে জনগণকে অবরুদ্ধ দশা থেকে মুক্ত করা এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার এবং আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে। আওয়ামী লীগের প্রতি দেশের জনগণের ব্যাপক সবুজ সংকেতে ফ্যাসিস্ট সরকার আতঙ্কগ্রস্ত। তাই নিজেদের আতঙ্ক ও ব্যর্থতা ঢাকতে তারা দানবীয় কায়দায় ভয়ের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে বারবার অন্যায্য ও অন্যায় গ্রেফতারের ভয় দেখানো হচ্ছে। কিন্তু দানবীয় এই সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এবং ভয়কে জয় করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তারা অশুভ শক্তি বিনাশের মন্ত্র জানে। সুতরাং তাদের ভয় দেখিয়ে জয় করার কোনো সুযোগ নেই। বরং তারা দিনে দিনে নিজেদের ঐক্য ও শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই লড়াইকে বেগবান করে যাচ্ছে। তাই এই ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, কোনো কালক্ষেপণ না করে গণগ্রেফতার বন্ধ করতে হবে। তা না হলে এর পরিণতি ভালো হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে বিনাবিচারে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। অনতিবিলম্বে এ সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক সকল রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে দুর্বার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে আমরা বদ্ধপরিকর।