উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লায় কবিরাজী চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে ১৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এই এজাহারটি দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের ছোটরা এলাকার মৃত সফিকুর রহমানের স্ত্রী মোসা. ফারজানা বেগম (৩৫)। এতে প্রধান বিবাদী করা হয়েছে ময়নামতি সমেশপুর এলাকার মৃত বজলু মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলমকে (৪৮) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন সহযোগীকে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীনী ফারজানা বেগম শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে ঘরোয়া চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এই সুযোগে বিবাদী খোরশেদ আলম নিজেকে কবিরাজ পরিচয়ে বাদীনীর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপরামর্শ দিতে থাকে। পরবর্তীতে প্রতারক চক্রের মূলহোতা খোরশেদ আলম তাকে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি প্রাচীন স্বর্ণের মূর্তি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে।
বাদী আরও উল্লেখ করেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫/২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রতারকদের কথামতো বাদীনী তার পরিবারের নিকট রক্ষित ১৪ (চৌদ্দ) ভরি স্বর্ণালংকার চিপসের প্যাকেটে ভরে মোগলটুলী হাই স্কুলের সামনে নিয়ে যান। সেখানে বিবাদীদের কথামতো স্বর্ণালংকারগুলো রেখে তাদের দেওয়া ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার স্বর্ণের মূর্তির প্যাকেটটি গ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ ও নগদ সেনমানির মাধ্যমে মোট ৪৭,০০০/- টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাড়িতে এসে প্যাকেট খুলে দেখা যায়, স্বর্ণের মূর্তির পরিবর্তে সেখানে সম্পূর্ণ একটি পিতলের মূর্তি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতারক চক্রের মূলহোতা খোরশেদ আলম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক খোয়া যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।