উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
লতিফুর রহমান রাজু.সুনামগঞ্জ:
অবশেষে পূর্বে গ্রেপ্তার কৃত নিষিদ্ধ ঘোষিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ প্রিন্স কে তাঁর পরিবারের সদস্য সহ মোট আট জন কে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রবিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃতদের একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবার জন্য তাকে নারী ও শিশু আদালতে নেওয়া হয়েছে।
গ্রেফতার কৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জ শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে নতুন পাড়ায় বসবাস কারী দেওয়ান ছাদ রাজা চৌধুরীর ছেলে দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী; তাঁর ছেলে দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স, দেওয়ান শাহরিয়ার চৌধুরী পিয়াল এবং স্ত্রী শাম্মী আক্তার পলি ও মেয়ে সাবরিনা চৌধুরী রূপকথা। এ ছাড়া দেওয়ান ফারুক রাজা চৌধুরীর ছেলে ফাহিম রাজা চৌধুরীও এ মামলার আসামি।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন ছাতকের জালালপুর গ্রামের বর্তমানে সিলেট শহরের মজুমদার পাড়ার বাসিন্দা শফিক আহমদের ছেলে কাওছার আহমদ সোহাগ (২১) , গোলাপগঞ্জের ভাদেরশ্বর গ্রামের বর্তমানে মজুমদার পাড়ার বাসিন্দা ওলিওর রহমান মানিকের ছেলে তাকরিব রহমান তানহির, (২০) দিরাই উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামের বর্তমানে সিলেট পাকা বাড়ির বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে ইফাত আলম রাবিদ,( ২১ )সুনামগঞ্জের হাসননগর এলাকার সুজন মিয়ার ছেলে রানা এবং জামালগঞ্জ উপজেলার কদমতলী গ্রামের বিজয় করের ছেলে রজয় কর।
এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কোর্ট ইন্সপেক্টর অজয় চন্দ্র দেব অপ্রাপ্ত বয়স্ক সাবরিনা চৌধুরী রূপকথা ছাড়া অন্যদের জামিন না মঞ্জুর না করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত: সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স কে তাঁর সুনামগঞ্জ শহরের নতুন পাড়ার বাসা থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এর কিছু সময় পর সে অসুস্থ হলে পুলিশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় পরে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট রেফার্ড করেন চিকিৎসক। ঐ সময় প্রিন্সের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশী নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রতন শেখ জানান সিলেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকেও তাঁর পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা পুলিশের সাথে চরম বাজে আচরণ করে। তাদের পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করেছেন।