উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মমিনুল ইসলাম মোল্লা, মুরাদনগর, কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১২টি কলেজের সম্মিলিত পাসের হার ৪০ দশমিক ১৪ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন শিক্ষার্থী।
প্রাপ্ত কলেজভিত্তিক ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ১২টি প্রতিষ্ঠানে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ৮৩৫ জন। সম্মিলিত ফলাফলের হিসাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ১৩৮ জন। তবে কলেজভিত্তিক তালিকার পাসের সংখ্যা যোগ করলে ১ হাজার ১৪২ জন পাওয়া যায়। এ কারণে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান যাচাই প্রয়োজন।
কলেজভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৬৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭৩ দশমিক ২০ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজে ১৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ জন, চান্দ মিয়া মোল্লা কলেজে ১১৩ জনের মধ্যে ৫০ জন এবং বেগম সুফিয়া শওকত কলেজে ৯৮ জনের মধ্যে ৩৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
কাজী নোমান আহমেদ কলেজে ৪৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৩ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। কোরেরপাড় আদর্শ কলেজে ১৪৩ জনের মধ্যে ৪৪ জন, শ্রীকাইল সরকারি কলেজে ২১২ জনের মধ্যে ৫৮ জন এবং বাঁশকাইট ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া কলেজে ১০৪ জনের মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
বদিউল আলম কলেজে ৪১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৪ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। সামছুল হক কলেজে ১২৬ জনের মধ্যে ২৯ জন এবং ফরিদ উদ্দিন সরকার ডিগ্রি কলেজে ২৬৮ জনের মধ্যে ৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফরিদ উদ্দিন সরকার ডিগ্রি কলেজ থেকে দুজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বাইরা মো. আরিফ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর সামগ্রিক পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। বোর্ডের ফলাফলে ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে দুর্বল ফল সামগ্রিক পাসের হার কমার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
মুরাদনগরের কলেজগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।