উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা:
সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে হঠাৎ বিধিনিষেধ আরোপ করায় দেশের বিমান চলাচলে দেখা দিয়েছে মারাত্মক বিপর্যয়। গত সাত দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও বিভিন্ন গন্তব্যের ১৮ হাজার ৩৬২ জন যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা ও চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বেবিচকের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাতিল হওয়া মোট ১১৮টি ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি (ডাইরেক্ট) ফ্লাইট ছিল ৫২টি এবং বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল ৬৬টি।
বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৯টি এবং বেসরকারি সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বিদেশি এয়ারলাইন্সের মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৩টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে, যাত্রীদের বিকল্প রুটে পরিবহনের সংযোগকারী ৬৬টি ট্রানজিট ফ্লাইটও সূচির বাইরে চলে গেছে। বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে— ইন্ডিগোর ২৩টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট।
হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের কারণে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানো হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক ও যাত্রী বিমানবন্দরেই আটকে পড়েছেন। ফ্লাইট পুনরায় কবে চালু হবে এবং যাত্রীদের থাকার ও রি-বুকিংয়ের কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এয়ারলাইন্সগুলোর দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বেবিচক জানায়, সৌদি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও বৈশ্বিক বিমান চলাচলের বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত এয়ারলাইন্সগুলোকে তাদের নিয়মিত সময়সূচিতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।