উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রতিনিধি:
আগামী বছরের ১ জানুয়ারির মধ্যে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। একই সঙ্গে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে ‘প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ’ আয়োজিত এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
সহকারী শিক্ষকদের উত্থাপিত ৩ দফা দাবি হলো:
১. সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান ১৩তম বেতন গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা।
২. চাকরিতে ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা দ্রুত নিরসন করা।
৩. সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে ১০০% বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থসচিবের সভাপতিত্বে এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের উপস্থিতিতে শিক্ষক নেতাদের আলোচনা শেষে গত ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রায় এক বছর অতিবাহিত হতে চললেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো দাবি বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মপরিকল্পনায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সুবিধা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেলেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। ভবিষ্যতের আদর্শ নাগরিক গড়ার কারিগর প্রাথমিক শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত না হলে শিক্ষার সঠিক মান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়, আগামী ১ জানুয়ারি নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ১০ম গ্রেডসহ এই ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে শিক্ষকরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।