উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আমেরিকার নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে আওয়ামী সমর্থকদের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি ও হট্টগোলের তীব্র সমালোচনা করেছেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা। তিনি এই ঘটনাকে পতন হওয়া রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হীনমন্যতা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং 'প্রোপাগান্ডা রাজনীতি'র অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সম্প্রতি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিজস্ব প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই বিষয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি:
গোলাম মোর্তোজা বলেন, বিমানবন্দরে ড. ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বকে লক্ষ্য করে অযাচিত চিৎকার ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ তোলা মূলত একটি অসাধু চক্রের সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। এই ধরনের বিশৃঙ্খলাকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অপপ্রচারের অংশ হিসেবে অভিহিত করেন।
আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও প্রোপাগান্ডা:
তিনি মন্তব্য করেন যে, আওয়ামী সমর্থকরা মূলত মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং গালাগালির ওপর নির্ভর করে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। ভুয়া খবরের অপসংস্কৃতি গড়ে তুলে জনগণের মনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হলেও তা শেষ পর্যন্ত সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ভেস্তে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন ও বাস্তবতা:
সিনিয়র এই সাংবাদিক আরও স্পষ্ট করেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে বা হট্টগোল সৃষ্টি করে বহির্বিশ্বে ড. ইউনূসের সম্মান কিংবা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশ্বনেতারা কোনো বিশৃঙ্খলা নয়, বরং বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতা ও সঠিক বিচার-বিবেচনার ওপরই আস্থা রাখেন।
সামগ্রিকভাবে, ঘটনাটিকে পরাজিত শক্তির হতাশাজনিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করে তিনি সবাইকে অপপ্রচার এড়িয়ে বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতার প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।