উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগ কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থীরা। গত ১৫ দিন ধরে বন্ধ থাকা একাডেমিক কার্যক্রম অবিলম্বে চালু করে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষায় ফিরিয়ে নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ‘চুয়েটের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক শিক্ষার্থীরা এই আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অচল করে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তারা বলেন, চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তারা নিজেরাও ছাত্রজীবনে একাধিকবার এ জাতীয় স্থবিরতার মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে সেশনজট ও একাডেমিক অনিশ্চয়তা কীভাবে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ধ্বংস করে এবং তার পরিবারকে হতাশায় ফেলে, তা তারা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গে বলা হয়, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ৫৬ দিন পর প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ ও প্রশাসনিক সুবিধার্থে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। দুইটি সিদ্ধান্তই সরকারের সংবিধিবদ্ধ আইন ও এখতিয়ারভুক্ত। তাই চুয়েটে প্রশাসনিক ও আইনি শৃঙ্খলা বজায় রেখে সরকারকে চরম ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়েট কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ইলিয়াস হোসেন, সাবেক জিএস শফিকুল ইসলাম খান এবং সাবেক জিএস রিয়াসাত হাসান সুমনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।