উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেবীদ্বার থেকে পরিবার ও স্বজন মিলে ১৪ জন কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা। সীমার মৃতু্যর সংবাদে এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
নিহত সীমা দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড় আলমপুর গ্রামের নাজির মন্দের বাড়ির মাহাবুব আলমের বড় মেয়ে। নিহত সীমা ছাড়া তার আরও সাবা ও জাবের হোসেন নামের এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা সবাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
নিহত সীমা আক্তার কুমিল্লার ‘ফাতেমাতুজ জোহরা মহিলা মাদ্রাসায়’ আলেম দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে দেবীদ্বার থেকে একটি হাইয়েক্স ও একটি প্রাইভেটকার নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে পরিবারের ১৪জন সদস্য গিয়েছিলেন।
সোমবার ভোরবেলায় কক্সবাজার পৌঁছে মুহাম্মদীয়া গেষ্ট হাউজের পাশে একটি আবাসিক হোটেলে তাঁরা অবস্থান নেয়। সারাদিন ঘোরা ফেরার পর তাঁরা রাত্রিযাপন করে।
আজ (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে সমুদ্র স্নান করতে পরিবারের সদস্যরা হোটেল থেকে দুটি অটোরিকশা করে বের হন। সমুদ্রে যাওয়ার পথে সীমা আক্তারের ওড়না অটোরিকশার মোটরের সাথে পেঁচিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরবর্তীতে মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় মরদেহ নিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে। রাত পৌনে ১১টা এখনো মরদেহ নিয়ে এসে পৌঁছায়নি।
মরদেহের সাথে থাকা সীমার সম্পর্কে চাচা আব্দুল বাঁতেন জানান, মরদেহ নিয়ে দেবীদ্বার এসে পৌঁছতে রাত ১২ টা থেকে সাড়ে ১২টা বাজতে পারে।
আগামীকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে মরদেহ দাফন করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।