June 23, 2024, 2:03 pm
ব্রেকিং নিউজ

জবি শিক্ষার্থী অবন্তিকার সুষ্ঠু বিচার নিয়ে শঙ্কায় মা তাহমিনা শবনম।। চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম Monday, June 3, 2024
  • 29 দেখা হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরোজ সাদাত অবন্তিকার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। অভিযুক্ত শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর কাজী দ্বীন ইসলাম জামিনে এসে মামলা প্রভাবিত করছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির সাত দিনের মধ্য তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার কথা থাকলেও আড়াই মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তা জমা দেয়নি। নানা কৌশলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এতে সুষ্ঠু বিচার নিয়ে শঙ্কায় অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম। চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন অবন্তিকার মা।

তাহমিনা শবনম বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকতাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন অবন্তিকার আত্মহত্যা মামলার বিষয়ে উদাসীন। আমি সুষ্ঠু বিচার পাব কিনা এ নিয়ে অনেকটাই সন্ধিহান। আসামি সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম জামিনে বেরিয়ে এসে নানানভাবে আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করছেন। তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির ওপরও প্রভাব বিস্তার করছেন অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর।

তিনি আরও বলেন, আমি আইনের বিষয়ে তেমন অভিজ্ঞ নই। যার ফলে মামলাটাকে হালকা করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে মামলাটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং একান্ত সহযোগিতা চাই। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন বলেন, আইনের যথাযথ ধারায় মামলাটি রেকর্ড হয়নি। মামলাটি এখন ডিপ ফ্রিজে আছে। আমরা চাই মামলাটি যথাযথ গুরুত্বপূর্ণ সহকারে তদন্ত হোক। এ মামলায় যারা আসামি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। মামলার অন্যতম আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম জামিনে এসে মামলাটিতে প্রভাব বিস্তার করছে। এমন আলোচিত একটি ঘটনা ধীরে ধীরে আড়াল করে দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৫ মার্চ রাতে প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মানকে দায়ী করে চিরকুট লিখে নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন ফাইরোজ অবন্তিকা। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মা তাহমিনা শবনম বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এতে সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকী ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামসহ বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...
themesba-lates1749691102