May 23, 2024, 11:59 pm
ব্রেকিং নিউজ

দৌলতখানে ঝড়ে বিধ্বস্ত স্কুলঘর, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম Tuesday, May 2, 2023
  • 67 দেখা হয়েছে

ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলার দৌলতখানে চরখলিফা ইউনিয়নের পশ্চিম-দক্ষিণ মধ্য কলাকোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র টিনশেড ভবনটি কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঝড় প্রচণ্ড বেগে বয়ে যায় এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে। ঝড়ের আঘাতে বিদ্যালয় ভবনটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় বিদ্যালয়ের দেড়শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া নিয়ে শিক্ষক অভিভাবকরা পড়েছেন মহাদুশ্চিন্তায়।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, ঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়া ১০৬নং পশ্চিম দক্ষিণ মধ্য কলাকোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা বিদ্যালয় মাঠে প্রখর রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল বিছিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ঘেমে পরিধেয় কাপড় ভিজে চুপচুপে অবস্থা।

পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সানজিদা, রুবেল, তৃতীয় শ্রেণীর হোসেন ও জ্যোৎস্না ভারাক্রান্ত মনে বলে- কালবৈশাখী ঝড়ে আমাদের ইসকুল ঘরটা পইড়া গেছে। এহন আমরা ক্লাস করতে পারতেছি না। আমরা পড়ালেখা করমু কেমনে।

শিক্ষার্থী অভিভাবক মাওলানা হাবিবুল্যাহ ও আবদুল মান্নান ছাত্রছাত্রীদের সুষ্ঠু লেখাপড়া চালিয়ে যেতে বিধ্বস্ত ভবনটি দ্রুত নির্মাণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের একটি মাত্র টিনশেড ভবন। ঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ায় এখন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। যে কয়জন আসে তাদের আমরা চারজন শিক্ষক রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে মাটিতে ত্রিপল বিছিয়ে পাঠদান করছি। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। তারা আশপাশের মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে গেছে।

প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের নামে একটি পাকা ভবন বরাদ্দ হয়েছে। সেটির সবেমাত্র পাইলিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভবনটি নির্মিত হতে কমপক্ষে দুই বছর লেগে যাবে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া অব্যাহত রাখতে বিদ্যালয়ের বিধ্বস্ত ভবনটি দ্রুত নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...
themesba-lates1749691102